Cholo Bangladesh
বাংলা
ENGLISH
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬
নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
দ্বিতীয় ভাগ : আত্মনির্ভরতার পথে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয়
তৃতীয় ভাগ : টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থান
চতুর্থ ভাগ : স্বনির্ভর কৃষি ও প্রকৃতির স্বাভাবিক বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন
পঞ্চম ভাগ : মানবসম্পদ ও জনজীবনের মৌলিক মানোন্নয়ন
সপ্তম ভাগ : যুবকদের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লব ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
যুব ও ক্রীড়া

ভিশন : সবার আগে যুব সমাজ

• দক্ষ, উদ্ভাবনমূলক ও কর্মক্ষম তারুণ্যের বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী যুবনীতি তৈরি করা হবে।

• ৫ বছরে ১ কোটি তরুণ-তরুণীকে দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে থাকবে আধুনিক প্রযুক্তি (AI, IoT, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার সিকিউরিটি, গ্রিন টেকনোলজি) ও উদ্যোক্তা দক্ষতায় প্রশিক্ষণ।

• প্রত্যেক উপজেলায় ‘ইউথ টেক ল্যাব’ স্থাপন করে অনলাইন, অফলাইন ও হাইব্রিড মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ট্রেনিং এবং গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ স্থাপন করা হবে।

• প্রথমেই চাকরি নয়, প্রথমেই উদ্যোক্তা : এই নীতির আলোকে বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করা হবে, যেমন : প্রত্যেক উপজেলায় ই-ওয়ার্কহাব-এর মাধ্যমে ১৫ লক্ষ সফল ফ্রিল্যান্সার গড়ে তোলা এবং ৫ বছরে ৫ লাখ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

• নারী, প্রান্তিক ও নৃগোষ্ঠী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। নারীদের জন্য ডিজিটাল কাজ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মে সংযুক্তির বিশেষ সুযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

• প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তারুণ্য : সফল ফ্রিল্যান্সার গড়ে তোলার লক্ষ্যে হাইস্পিড ইন্টারনেট, কম্পিউটার, কো-ওয়ার্কিং স্পেস ও ফ্রিল্যান্স প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং গ্লোবাল মার্কেটপ্লেস (Upwork, Fiverr, Freelancer)-এ সরাসরি সংযুক্তির মাধ্যমে গ্রামের তরুণ-তরুণীদের ঘরে বসেই বৈশ্বিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

• ক্রীড়াতে শিশু/কিশোর, যুবক/যুবতীদের সার্বজনীন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি সুস্থ সবল জাতিগঠনের জন্য সামাজিক আন্দোলনের রূপ দেওয়া হবে।

• আধুনিক ও বৈশ্বিক ক্রীড়ায় বাংলাদেশ : ৫ বছরে ৫০০ আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্য খেলোয়াড় নির্বাচিত হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে। এর জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের মাসিক বৃত্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে সহায়তা এবং স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা ও স্পন্সরশিপ সংগ্রহে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

• তরুণ সমাজের সার্বিক অন্তর্ভুক্তি : সরকারি উদ্যোগে ৫ বছরে ৫০ লক্ষ তরুণের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তরুণদের জন্য আর্থিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ বছরের জন্য শিক্ষিত বেকারদের কর্জে হাসানা (সুদ-মুক্ত ঋণ) হিসেবে প্রতি মাসে দশ হাজার টাকা করে ‘দক্ষতা বহুমুখীকরন ফি’ (skill recalibration) প্রদান করা হবে।

• 'যোগ্যরাই সরকারি চাকরিতে, বয়স কোন বাঁধা নয়' এই নীতির অনুসরণ করা হবে।

• জেলাভিত্তিক Youth Job Bank Initiative এবং বিভাগীয় শহরে ইনকিউবেশন সেন্টারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বিনিয়োগ এবং প্রতি বছর জাতীয় ও আঞ্চলিক কর্মসংস্থান মেলা আয়োজন করা হবে।

• সুস্থ-সবল তরুণ ও যুবসমাজ গড়ে তোলার জন্য মহল্লাভিত্তিক ব্যায়ামাগার, খেলার মাঠ ও সুইমিং পুলের ব্যবস্থা করা হবে। এ ব্যাপারে বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হবে।

• অলিম্পিকসহ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টগুলোতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।

• জাতীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্য প্রতি বছর দেশব্যাপী ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।

• ক্রীড়াঙ্গনকে সিন্ডিকেট ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করে দক্ষ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা হবে।

• দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে (হাডুডু, কুস্তি, নৌকা বাইচ ইত্যাদি) রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করা হবে।