Cholo Bangladesh
বাংলা
ENGLISH
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬
নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
দ্বিতীয় ভাগ : আত্মনির্ভরতার পথে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয়
তৃতীয় ভাগ : টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থান
চতুর্থ ভাগ : স্বনির্ভর কৃষি ও প্রকৃতির স্বাভাবিক বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন
পঞ্চম ভাগ : মানবসম্পদ ও জনজীবনের মৌলিক মানোন্নয়ন
সপ্তম ভাগ : যুবকদের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লব ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
আগামীর কৃষি

ভিশন : টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা

• টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করা হবে।

• কৃষি উপকরণে (বীজ, সার, বালাইনাশক, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি) নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষকের কৃষি উপকরণের প্রাপ্তি নিশ্চিত ও ফসলের উৎপাদন খরচ কমিয়ে খাদ্যপণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে।

• পণ্যের টেকসই সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য নিশ্চিত করার জন্য এবং চাহিদা ও যোগানের সমন্বয়ের জন্য গুদাম, হিমাগার, শুকানোর খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে।

• কৃষিতে সকল প্রকার ভর্তুকি, প্রণোদনা ও ঋণ সহায়তা যৌক্তিক হারে চালু রাখা বা বাড়ানো হবে।

• কৃষিকে রপ্তানিমুখী করার লক্ষ্যে কৃষিতে দেশি-বিদেশি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কৃষি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।

• কৃষি জমি সুরক্ষা, জমির উর্বরতা রক্ষা ও কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

• সারাদেশে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিদেশে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কৃষি শ্রমিক প্রেরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

• আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করে কৃষিকে অধিকতর লাভজনক করার জন্য কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

• কৃষি ঋণ আরও সম্প্রসারণ করা হবে ও শরিয়াভিত্তিক কল্যাণমূলক ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হবে।

• কৃষি সম্প্রসারণ, গবেষণা ও শিক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

• কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারের দাম কমিয়ে আনা হবে; বিশেষত জৈব সার ব্যবহার বৃদ্ধি করার জন্য প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণ করা হবে।

• কৃষিকে উন্নত করার লক্ষ্যে প্রিসিশন এগ্রিকালচার সম্প্রসারণ করা হবে।

• ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষিবিদ নিয়োগ করা হবে এবং দুর্গম এলাকায় কাজ করার জন্য প্রণোদনা দেওয়া হবে।

• তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন টেকসই করা হবে। এছাড়াও পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ কাজের সম্প্রসারণ করা হবে।

• কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার নিশ্চয়তায় উৎপাদিত কৃষিপণ্যের পরিবহনের বিশেষ ব্যবস্থা করে ন্যূনতম দাম নিশ্চিত করা হবে।

• কৃষিখাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে। এর জন্য প্রশিক্ষণ, তথ্য, প্রযুক্তি ও বাজারজাতে বিশেষ সহায়তা করা হবে।