ভিশন : পরিবেশবান্ধব বস্ত্র শিল্প ও পাটের ব্যবহার
• পাট শিল্পের পুনর্জাগরণ (জুট রেনেসাঁ) লক্ষ্যে ২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি প্রধান খাদ্যপণ্যে পাটজাত পণ্যের (ব্যাগ, প্যাকেজিং) বাধ্যতামূলক ব্যবহার ও প্লাস্টিক নিষেধাজ্ঞার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০টি নতুন বাজারে প্রবেশ করা হবে।
• ‘টেক্স-এডু ২০৩০’ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা, জাতীয় পাঠ্যক্রমে বস্ত্রপ্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও এআই-নির্ভর উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত, গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, বিশেষায়িত ট্রেনিং এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অংশীদারিত্বের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
• প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য বস্ত্র ও পাটবিষয়ক নিয়ন্ত্রণ একটি ‘সুপার-মন্ত্রণালয়’-এ উন্নীতকরণ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BITBD) প্রতিষ্ঠা, টেক্সটাইল রেগুলেটরি অথরিটি (TRA) গঠন করে লাইসেন্সিং, মান নির্ধারণ, প্রণোদনার ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা করা হবে।
• অর্থ ও বাণিজ্যিক পদক্ষেপে নিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে ৬০টি উচ্চমূল্য বাজারে রপ্তানির জন্য শুল্কমুক্তি সুবিধা, উৎপাদন/রপ্তানিমুখী উদ্যোক্তাদের ৩০% ভর্তুকির আওতায় ‘গ্রিন টেক্সটাইল ট্যাক্স ক্রেডিট’ চালু করা হবে।
• ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা জোনে ১-২টি করে মিলকে ‘মডেল মিল’ হিসেবে চালু করে সৎ ও দক্ষ প্রশাসন এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
• উন্নত মানের বীজ সরবরাহের মাধ্যমে পাট উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
• বায়োডিগ্রেডেবল পাটব্যাগের উৎপাদন, বিপণন, প্রচারণা ও আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করা।