ভিশন : নৈতিক ও উন্নত জাতি গঠনে সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষা
· স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন : শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের জন্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদ, গবেষক ও শিক্ষা প্রশাসকদের নেতৃত্বে একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে।
· শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি : পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।
· বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে বিনা-সুদে প্রথম দুই সেমিস্টার ফি সরকার প্রধান করবে।
· শিক্ষা সহায়তা : দরিদ্র (যাকাত পাওয়ার যোগ্য) শিক্ষার্থীদের মাসে তিন হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে।
· স্নাতক পর্যায়ে (বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা) ১ লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে মাসে দশ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কর্জে হাসানা (সুদ-মুক্ত ঋণ) দেয়া হবে।
· প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা : বাংলাদেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আর্থ-সামাজিক অবস্থার আলোকে সাধারণ, আলিয়া, কওমী এবং ইংরেজি মাধ্যম; সমস্ত শিক্ষা-ধারার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে বাংলা, বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি ও ইংরেজি বিষয়ে অভিন্ন পাঠ্যমান ও পাঠ্যবস্তু প্রণয়ন করা হবে।
· উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার : অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রিসার্চ ও টিচিং ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তর করা হবে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অন্যান্য দেশের সাথে সংগতি রেখে যৌক্তিক হারে বৃদ্ধি করা হবে। সরকারি ব্যাবস্থাপনায় বিদেশি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অধিভুক্তি চুক্তি সম্পাদন করা হবে যাতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা নির্ঝঞ্ঝাট উপায়ে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যেতে পারে।
· উচ্চশিক্ষা সম্পন্নকারী মেধাবীদের দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত ও মেধাপাচার রোধে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান করা হবে।
· নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাঙ্গনের নিশ্চয়তা : সর্বস্তরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সকল প্রকার নিপীড়নমুক্ত করে সবার জন্য নিরাপদ করা হবে। সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার্থী পরামর্শসেবা নিশ্চিত করা হবে।
· শিক্ষক নিয়োগ ও বেতন কাঠামো : স্কুল কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পৃথক নিয়োগ পদ্ধতি ও বেতন কাঠামো প্রচলন করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষকদের উচ্চ গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি কঠোরভাবে বন্ধ করা হবে।
· মাদ্রাসা শিক্ষা : মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখে কারিকুলামকে আধুনিকায়ন এবং সমন্বিত ও সামগ্রিক শিক্ষানীতি (Holistic Education) গ্রহণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে যাতে তারা দক্ষতা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।
· মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে সকল বৈষম্য দূরীকরণ, প্রাপ্যতা ও উপযোগিতার আলোকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাদ্রাসাকে সরকারিকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আরব বিশ্বসহ বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েটদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
· ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো প্রাইমারি স্কুলের ন্যায় সরকারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতি জেলায় একটি করে আলীয়া মাদ্রাসা সরকারিকরণ করা হবে।
· কওমী শিক্ষা ও গবেষণা : কওমী শিক্ষা কাঠামো ঠিক রাখা, কওমী শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন ও কওমী শিক্ষার প্রসারসহ সার্বিক উন্নতির জন্য কওমী অঙ্গনের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বী আলেম তথা আকাবিরে আসলাফদের পরামর্শে বাস্তবায়ন করা হবে। কওমী মাদ্রাসার ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও হাইয়াতুল উলইয়ার সার্টিফিকেটের যথাযথ মূল্যায়নসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
· ইসলামী স্কলার ও গবেষক তৈরি : দেশ-বিদেশে ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার (থিওলজি) জন্য যোগ্য ইসলামী স্কলার তৈরির জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা, উচ্চতর ইলমী ইন্সটিটিউট/সেন্টার প্রতিষ্ঠাসহ প্রয়াজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
· অন্যান্য ধর্মীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা : মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষার জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে
· শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা ও বীমাব্যবস্থা : শিক্ষার্থীদের জরুরি ও জটিল রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সহায়তা দিতে ‘শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য ফান্ড’ ও বীমা চালু করা হবে।
· চাকরির প্রস্তুতি, বিনামূল্যে বিদেশি ভাষা ও ট্রেনিং : ইংরেজি, আরবিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ভাষা বিনামূল্যে শেখার ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশগামীদের জন্য আঞ্চলিক ও বিভাগীয় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
· শিক্ষাকে সহজ ও সার্বজনীন করার জন্য সকল স্তরের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন ফি বাদ দেওয়া হবে।
· পাঠ্যপুস্তক থেকে ফ্যাসিবাদী উপাদান অপসারণ করে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হবে।
· গবেষণাকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে শিল্পসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ের জন্য সরকারি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
· উচ্চশিক্ষাকে বিশেষভাবে স্নাতক পর্যায়ের বিষয়গুলোকে চাকরিমুখী কোর্সে রূপান্তর করা হবে যাতে করে ছাত্ররা পাঠক্রম শেষ করেই দেশে ও বিদেশে চাকরির সুযোগ পায়। চাকরির বাজারে চাহিদার সাথে সংগতি রেখে বিভিন্ন কোর্স চালু ও পাঠ্যসূচি নিয়মিত আপডেট করা হবে।
· প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন। সকল সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ ব্যবস্থা চালু করা হবে। ইন্টার্নশিপ শেষে শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হবে।
· বাজারের চাহিদা মাফিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও উচ্চশিক্ষাকে কর্মমুখি শিক্ষায় পরিবর্তন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
· দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকল সরকারি, আধা সরকারি ও ব্যক্তিখাতের প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এ কাজে নেতৃত্ব দেবে। সকল ধরনের প্রতিষ্ঠান চাহিদা মাফিক গুণগত মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবে।
· কম শিক্ষিত বা নিরক্ষর কিন্তু সক্ষম ও আগ্রহীদের জন্য সফল-প্রমাণিত প্রশিক্ষণ পদ্ধতিসমূহ ব্যবহার করা হবে (যেমন : ভকেশনাল ট্রেনিং, ওস্তাদ-সাগরেদ পদ্ধতি)। প্রত্যেক প্রশিক্ষণের সাথে Internship এর ব্যবস্থা থাকবে। সম্ভাব্য চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে দেওয়া হবে (Placement Service)।
· উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে এবং ঋণের জন্য অর্থ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে দেওয়া হবে।
· নারী শিক্ষা : শিক্ষার সকল ক্ষেত্র ও স্তরে নারীর সমান প্রবেশাধিকার ও অধিকার সংরক্ষণ করা যাতে নারী তার ইচ্ছে অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ ও কর্মে প্রবেশ করতে পারে। নারীরা স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনা করতে পারবেন।
· ইডেন, বদরুন্নেসা ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
· শিক্ষাক্রম মূল্যায়ন ও আধুনিকায়ন : জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে বিবেচনায় নিয়ে নতুন শিক্ষানীতি ও শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হবে।
· বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত স্কুল ও কলেজসমূহের জন্যও সরকারি নির্দেশনা, নির্ধারিত মানদণ্ড এবং যথাযথ তদারকি ও মনিটরিং নীতি প্রণয়ন করা হবে।
· শিক্ষার মান যাচাই ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ : দেশের শিক্ষা প্রশাসনের কাজের মান যাচাই ও মূল্যায়নে একটি স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিকভাবে অনুসরণীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সংগঠন ওইসিডির ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট ফর ডেভেলপমেন্ট (PISA) প্রোগ্রাম গ্রহনের চেষ্টা করবে বাংলাদেশ, যার সূচনা হতে পারে এর পাইলট সংস্করণ তথা PISA-D।
· শিক্ষায় সামাজিক সুরক্ষা : মাধ্যমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া রোধে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। পথশিশুদের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে।
· শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত নিরপেক্ষ অডিট ও প্রশাসনিক নজরদারি, ভর্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার মানসম্মত ও স্বচ্ছ পরিচালনা, শিক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন সেবা ও ই-মনিটরিং প্রয়োগ এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে দ্রুত ও কঠোর প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।
· শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনকে বিরাজনীতিকরণ : সকল পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে।
· শিক্ষকদের পুনঃপ্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি : শিক্ষাক্রমের অপরিকল্পিত পরিবর্তনের কারণে শিক্ষা কার্যক্রমে যে ব্যাঘাত ঘটেছে তা নিরসনের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকরণ সরবরাহ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। শ্রেণি কার্যক্রমে উপকরণের ব্যবহার ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণলব্ধ দক্ষতার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে।
· কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা প্রদান, স্বাস্থ্যজনিত কারণে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি এবং ডিজিটাল প্রশাসনিক সুবিধাসমূহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
· বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ন্ত্রিত প্রসার সংকোচন ও মানের পুনর্মূল্যায়ন : উচ্চশিক্ষা সংস্কারে একটি পৃথক কমিশন গঠন করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত, প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিকীকরণ করা হবে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থী ও ভিজিটিং প্রফেসর এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে (সকল সরকারি বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে)।
· শিক্ষার্থীদের নাগরিক দক্ষতা (সিটিজেনশিপ স্কিল) বৃদ্ধির জন্য পাঠ্যসূচিতে নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, প্রজেক্ট-ভিত্তিক ও কমিউনিটি সেবা কার্যক্রম চালু রাখা, স্টুডেন্ট কাউন্সিল ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান এবং ডিজিটাল ও বাস্তব জীবনের নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
· শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব, ক্ষমতায়ন ও কার্যকর ছাত্র-সংসদ : উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির পরিবর্তে ছাত্র-সংসদভিত্তিক ছাত্র-রাজনীতির প্রচলন করা হবে। নিয়মিতভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে।
· প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার কারিকুলামকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG), শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ধর্মীয় নীতিমালা ও নৈতিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন করা হবে।
· অষ্টম শ্রেণির পর থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে চারটি পৃথক ধারায় বিভক্ত করা হবে (ইসলামিক শিক্ষা, বিজ্ঞান শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা)।