ভিশন : জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে স্থায়ীভাবে খাপ খাওয়ানো আমাদের অস্তিত্বের সংগ্রাম
• ২০৩০ সালের মধ্যে ‘তিন শূন্য ভিশন’ (পরিবেশগত অবক্ষয়ের শূন্যতা, বর্জ্যের শূন্যতা এবং বন্যা-ঝুঁকির শূন্যতা) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া হবে।
• পরিবেশগত অবক্ষয়ের শূন্যতা : বন উজাড় নিষিদ্ধ ও দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষরোপণ, নতুন সকল ভবনের আশেপাশে বৃক্ষ রোপনে পর্যাপ্ত তদারকি, সংরক্ষণ ও বৃক্ষায়ণ করা হবে।
• বর্জ্যের শূন্যতা : ‘প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছ’ আন্দোলন চালু করা হবে। ডিপোজিট-রিটার্ন সিস্টেম ও নগর কম্পোস্টিং জোন চালু করা হবে। পলিথিন ব্যাগের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে।
• সকল কলকারখানায় বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য ETP (Effluent treatment plant) ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
• অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, কর্ণফুলী নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ের পানি দূষণমুক্ত করার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
• বন্যা-ঝুঁকির শূন্যতা : ডাচ ডেল্টা মডেল ও তামিলনাড়ুর দুর্যোগ প্রস্তুতির ধারা গ্রহণ করা হবে। কমিউনিটি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, ম্যানগ্রোভ বাফার ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার ডিজিটালায়ন করা ও ‘পানি-সার্বভৌমত্ব’ নিশ্চিত করতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানো হবে।
• গ্লোবাল অংশীদারিত্ব, স্থানীয় নেতৃত্ব : বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ু কূটনীতির নেতায় পরিণত করা হবে। প্যারিস চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবেশ সুবিচার দাবি ও অধিকার আদায় করা হবে।
• জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বরাদ্দপ্রাপ্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক লবিং করা হবে।
• সকল ফসলকে পর্যায়ক্রমে বিরূপ জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়া উপযোগী করা হবে।