ভিশন : সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা
• সাশ্রয়ী খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ : ওএমএস (OMS), খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিআর (TR), ভিজিএফ (VGF), মৎস্যজীবী সহায়তা, টিসিবি (TCB)সহ সকল কার্যক্রমের আওতা বাড়িয়ে দারিদ্র জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এ সকল ক্ষেত্রে ডেটাবেস তৈরি করে প্রকৃত হকদারকে প্রদান নিশ্চিত করা হবে।
• দরিদ্র্য-সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সহায়তা : নারীপ্রধান পরিবার, বস্তিবাসী, নদীভাঙন এলাকা, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ রেশন প্যাকেজ চালু করা হবে।
• মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর খাদ্যনীতি : নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের দামের ওপর ‘স্বয়ংক্রিয় স্থিতিকরণ নীতি’ (automatic stabilizer) প্রয়োগ করা হবে। বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে ওএমএস ও টিসিবির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে।
• ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠন করে খাদ্য এবং পানীয়তে ভেজাল, নিম্নমানের ওষুধ ও চিকিৎসা প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় নজরদারি এবং যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে।
• খাদ্যে ভেজাল রোধে হোটেল ও রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে সিসিটিভি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালু করবে।
• বিভিন্ন কোম্পানির খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য বাজার থেকে র্যান্ডম স্যাম্পল নিয়ে সরকারি ও স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হবে। ভেজাল পণ্য ধরা পড়লে তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো হবে।
• ভেজাল প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করা হবে, কারখানা সিলগালা এবং মালিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে। পুনরায় ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হবে না।
• অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ শক্তিশালীকরণ : সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান-গম সংগ্রহের জন্য ডিজিটাল ক্রয় অ্যাপ চালু করা হবে। সরকারি ক্রয়মূল্যে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও যৌক্তিক লাভ নিশ্চিত করা হবে।
• গুদাম ও মজুদ ক্ষমতা বৃদ্ধি : আগামী ৫ বছরে অতিরিক্ত ১৫-২০ লক্ষ মেট্রিক টন মজুদ ক্ষমতা তৈরি করা হবে। আধুনিক স্টিল সাইলো নির্মাণ, কংক্রিট গুদাম সম্প্রসারণ এবং ল্যাব-সমৃদ্ধ সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
• আন্তর্জাতিক খাদ্য সংগ্রহ কৌশল : বহুমুখী উৎস থেকে দীর্ঘমেয়াদি জিটুজি (G2G) চুক্তি করে খাদ্য-সরবরাহ চেইন নিরাপদ রাখা হবে।
• স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা : খাদ্য বিতরণ চেইনে ব্লকচেইন-ভিত্তিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। ডিজিটাল ওএমএস ট্র্যাকিং, GPS–ম্যাপিং ও রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেম করা হবে। খাদ্য মজুদ ও বিতরণের স্বচ্ছ তথ্যের ব্যবস্থা করা হবে।