Cholo Bangladesh
বাংলা
ENGLISH
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬
নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
দ্বিতীয় ভাগ : আত্মনির্ভরতার পথে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয়
তৃতীয় ভাগ : টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপকভিত্তিতে কর্মসংস্থান
চতুর্থ ভাগ : স্বনির্ভর কৃষি ও প্রকৃতির স্বাভাবিক বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন
পঞ্চম ভাগ : মানবসম্পদ ও জনজীবনের মৌলিক মানোন্নয়ন
সপ্তম ভাগ : যুবকদের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লব ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

ভিশন : পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির নিশ্চয়তা

• দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও সম্প্রসারণ : আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অনশোর (On-shore) ও অফশোর (off-shore), উভয় ক্ষেত্রেই দ্রুততর ও স্বচ্ছ গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো হবে। বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

• পিডিবির সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ও সিস্টেম লস কমিয়ে বিদ্যুতের দাম কমানো হবে।

• ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর : বিশ্বব্যাপী জ্বালানি প্রবণতা ও জাতীয় জলবায়ু প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সৌরবিদ্যুতের দিকে সাহসী ও দ্রুত রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বৃহৎ সোলার পার্ক তৈরি, বাসাবাড়ির ছাদে (রুফটপ) সোলার প্যানেল প্রতিষ্ঠায় প্রণোদনা প্রদান, নেট মিটারিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ১০ গুণ বাড়ানো হবে।

• এলপিজি ও এলএনজি-কে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির বিকল্প হিসেবে উন্নীত করা হবে।

• আন্তর্জাতিক আইন মেনে পরমাণু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে।

• জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য কয়লার ব্যবহার সীমিতকরণ : দেশীয় কয়লার ভূমিকা জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্যময় জ্বালানি মিশ্রণে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পরিবেশগত সুরক্ষা বজায় রেখে এর সীমিত ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের নীতি গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে কৌশল হবে বিদ্যমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দক্ষতা বাড়াতে নির্গমন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, আধুনিক বয়লার এবং উন্নত অপারেশনাল মানদণ্ড সমন্বিত করা।

• বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (BERC) স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

• কুইক রেন্টালসহ অন্যান্য দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর এবং সর্বস্তরে জ্বালানির অপচয় রোধ করা হবে।

• দেশীয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ ও উন্নত তেল শোধনাগার স্থাপন করার মাধ্যমে জ্বালানীর দাম কমানো ও স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি করা হবে।