ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনে আমাদের চেষ্টা
তরুণদের দেশ পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জামায়াত সরকার গঠন করলে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যোগ্য ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
নারী, অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। (তুলনামূলক দৃষ্টিকোণে উল্লেখযোগ্য যে: ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত ১ জন, ১৯৯৬ সালে ২ জন এবং ২০০১ সালে মাত্র ২ জন নারী মন্ত্রী ছিলেন। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে ১ জন করে এবং ২০০১ সালে ১ জন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। জামায়াত এই প্রতিনিধিত্ব আরও বিস্তৃত করবে।)
জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা ও তা ধরে রাখার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অথবা নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের আয়োজন করা হবে।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও অনুপাতের চেয়ে অধিক হারে সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর অধিকাংশ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হবে, এসব কমিটির বৈঠক নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
জামায়াত জনগণের ভোটে নির্বাচনে জিতলে দুনীতির সাথে জড়িত নয় এমন সব দল ও ব্যক্তিকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে