ফ্যাসিবাদের মোকাবেলা কিভাবে করা যায়?
শাসনক্ষমতাকে জনগণের পক্ষ থেকে একটি ‘আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে, যা একজন নাগরিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের ওপর অর্পণ করে।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়মতান্ত্রিক জবাবদিহিতার পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে একটি স্বাধীন জবাবদিহিমূলক কাউন্সিল গঠন করা হবে, যেখানে প্রতি মাসে সংশ্লিষ্টরা তাদের কাজের অগ্রগতি ও সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেবেন।
ফ্যাসিস্ট দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা ও তা ধরে রাখার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অথবা নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের আয়োজন করা হবে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের পরিবেশ সৃষ্টিকারী যেকোনো ঘটনার দ্রুত সমাধানে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আমরা এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই, যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই স্বাধীনভাবে চিন্তা, মতামত প্রকাশ এবং নিজেকে বিকশিত করতে পারে।
সংসদকে কার্যকর করতে ক্ষমতার একক কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে আবারও সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনা হবে।
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও অনুপাতের চেয়ে অধিক হারে সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর অধিকাংশ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হবে, এসব কমিটির বৈঠক নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
জাতীয় সংসদকে পুনরায় জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিভিন্ন চুক্তি ও রাষ্ট্রীয় সফরের বিষয়ে সংসদে উম্মুক্ত আলোচনা হবে
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সুসংহত ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধানের সংস্কার করা হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতির প্রবর্তন করা হবে।
নির্বাচন কমিশন এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন অফিসে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অথবা কমপক্ষে ১০টি আসন বা ৩% ভোট পাওয়া দলগুলোর প্রতিনিধিদের পর্যবেক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিধান করা হবে। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন, তবে ভোটাধিকার থাকবে না।
সকল স্তরের উন্নয়ন পরিচালিত হবে স্থানীয় সরকারের অধীনে । এক্ষেত্রে মন্ত্রনালয়ের কাজ হবে তদারকি করা
পুলিশের কার্যক্রমে কোনভাবেই যেন রাজনৈতিক দলের প্রভাব না পড়ে তা নিশ্চিত করা হবে ।
পাঠ্যপুস্তক থেকে ফ্যাসিবাদী উপাদান অপসারণ করে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় হস্তক্ষেপ মুক্ত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা বাড়াতে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার আনা হবে।