কিভাবে দুর্নীতি রোধ করা যায়?
· প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর সম্পদ বিবরণী বাধ্যতামূলকভাবে প্রতিবছর হালনাগাদ ও জনসমক্ষে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হবে।
· মন্ত্রী ও এমপিসহ সকল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণী জনসাধারণের সামনে পেশ করতে আইনী পদক্ষেপ র মাধ্যমে বাধ্য করা হবে ।
· সরকারি অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ই-টেন্ডার এবং সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি ও সেবাকে শতভাগ অনলাইনে রূপান্তর করা হবে।
· ঘুষ, লবিং ও তদবির বন্ধে সকল সরকারি লেনদেন সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও ডিজিটালাইজড করা হবে।
· যেকোনো স্তরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
· রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অংশ হিসেবে, আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে (আসন ও ভোটের সংখ্যানুপাতে) রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বার্ষিক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
· শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা সংবলিত পাঠ্যক্রম যুক্ত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
· দুর্নীতির জন্য শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি কার্যকর করা হবে।
· দুর্নীতিবাজদের অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
· দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ ও সিভিল সোসাইটিসমূঞের ভূমিকা আরও সক্রিয় করতে আইনি ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে।
· দুর্নীতিগ্রস্ত খাত সংস্কার: প্রশাসনের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট, এনআইডি ও অন্যান্য নাগরিক পরিসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যাপক সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
· পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে দুর্নীতিমুক্ত করতে কার্যকরী ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ সদস্যদের বেতন, আবাসন, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলা হবে।
· শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত নিরপেক্ষ অডিট ও প্রশাসনিক নজরদারি, ভর্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার মানসম্মত ও স্বচ্ছ পরিচালনা, শিক্ষকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন সেবা ও ই-মনিটরিং প্রয়োগ এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে দ্রুত ও কঠোর প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।