কিভাবে চাঁদাবাজি রোধ করা যায়?
শুরুতে চাঁদাবাজ ও তাদের মদতদাতাদের তালিকা তৈরি করা হবে।
চাঁদাবাজি করার বড় সেক্টর পরিবহন খাত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কনস্ট্রাকশন সাইটে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে
পুলিশের ড্রেসে ক্যামেরা (Body Cam) লাগানো হবে
কেউ চাঁদাবাজির শিকার হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগীকে সাপোর্ট দেওয়া ও চাঁদাবাজকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।
ন্যাশনাল মনিটরিং সেল করা হবে যেখানে কেউ চাঁদাবাজির শিকার হলে অভিযোগ করতে পারবে এবং প্রতিকার পাবে। Zero Time Response System Develop করা হবে ।
ডিজিটাল পাহারাদার অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো অপরাধের (যেমন চাঁদাবাজি, ঘুষ, নারী নির্যাতন) বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ডিজিটালি রিপোর্ট করা যাবে যেখানে রিপোর্টকারির পরিচয় গোপন রাখা হবে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চাঁদাবাজদের দমাতে, তাদের আয় ব্যয়ের সমন্বিত হিসাব প্রকাশ ও ৬ মাস পর পর সরকারি কোনও পেজ থেকে তার জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে ।
চাঁদাবাজদের মিডিয়ায় এক্সপোজ করতে হবে, এবং দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে অন্যরা লজ্জা ও ভয় পায়।
এলাকাভিত্তিক মাদক নির্মুল এবং বেকারত্ব নিরসনে কাজ করতে হবে। যাতে করে, অন্যদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি হয় ।
সমন্বয় টিম থাকতে হবে যেখানে স্থানীয় প্রভাবশালী শিক্ষক, ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতা, সামাজ কর্মী ও ছাত্র প্রতিনিধি থাকতে পারে।